শনিবার, ২৬ মে, ২০১২

b-skan debate competition

জাগো হে নবীন, ভিন্নভাবে সক্ষমদের জন্যে চাই সমাজ প্রতিবন্ধকতাহীন” স্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মের নবীনদের মাঝে প্রতিবন্ধিতা বিষয়ে জাগরণ সৃষ্টি করতে চাই আমরা। যেহেতু অদূর ভবিষ্যতে এই সব তরুণেরাই এক একজন লেখক, শিল্পী, স্থপতি, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ হয়ে ভূমিকা রাখবে দেশের মজবুত ভিত্তি গঠনে। যাদের নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখতে পারি ভিন্নভাবে সক্ষম মানুষদের জন্যে বসবাসযোগ্য আগামীর বাংলাদেশের।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীরা এই বিতর্কে অংশ নিতে পারবে। মোট আটটি স্কুল ও কলেজের মধ্যে আয়োজিত বিতার্কিকেরা ষোলটি দলে বিভক্ত হয়ে দু’দিন ব্যাপী নক আউট পদ্ধতিতে লড়বে আকর্ষণীয় ট্রফির জন্যে। বিচারকদের রায়ে নির্বাচিত বিজয়ী চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দল এবং শ্রেষ্ঠ বিতার্কিকদের হাতে পুরুষ্কার তুলে দেওয়া হবে ১৪ই জুলাই, ২০১২ বি-স্ক্যান বর্ষপূর্তী অনুষ্ঠানে।

আগ্রহী স্কুল ও কলেজকে যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। প্রতিযোগিতার স্থান ও সময় যথা সময়ে জানানো হবে।

মোহাম্মাদ জাহিদুল আলমঃ ০১৯১১২৫১৬৯২
তানজির ইসলামঃ ০১৭২০৮২৮৮১৫
ইমেলঃ info@b-scan.org
ওয়েবঃ www.b-scan.org
___________________________________________

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলি

বিতার্কিকদের যোগ্যতা :
১. বিতার্কিকদেরকে মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক (নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেনী) পর্যায়ের শিক্ষার্থী হতে হবে।
২. কোন স্কুল বা কলেজ থেকে একাধিক দল নেয়া হবে না।
৩. প্রত্যেক দলে তিনজন করে বিতার্কিক এবং একজন স্ট্যান্ডবাই থাকবেন, তিনজনের মাঝে একজন দলনেতা থাকবেন।
৪. যে চারজন বিতার্কিকের নাম প্রেরণ করা হবে কোন অবস্থাতেই তাদের বাইরে কেউ বিতর্ক করতে পারবেন না।

বিতর্কের পদ্ধতি :
প্রতিযোগিতার বিতর্কসমূহ সনাতনী পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম রাউন্ড :
১. নাম জমা দেয়ার ভিত্তিতে দল সমূহকে ক্রমান্বয়ে ডাকা হবে। দলগুলো লটারির মাধ্যমে স্ব স্ব দলগত ক্রমিক নম্বর সংগ্রহ করবে। প্রথম বিতর্ক (১ বনাম ২, ৩ বনাম ৪) এভাবে প্রথম রাউন্ডের বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে।
২. প্রথম রাউন্ডের বিষয় প্রতিযোগিতার ব্রিফিং সেশনে জানিয়ে দেয়া হবে এছাড়া ২য় রাউন্ড, সেমিফাইনাল এর ১ ঘন্টা আগে এবং ফাইনাল এর বিষয় বিতর্কের সেমি-ফাইনালের শেষে জানিয়ে দেয়া হবে।
৩. প্রতিযোগী দুটি দল মঞ্চে এসে টসের মাধ্যমে পক্ষ বিপক্ষ নির্ধারণ করবে। টসে বিজয়ী দল পক্ষ-বিপক্ষ নির্ধারণের সুযোগ পাবে। উভয় দলকে বিতর্ক শুরুর নির্ধারিত সময়ের ৩০মিনিট পূর্বে রিপোর্ট করতে হবে।
৪. বিতর্কের নির্ধারিত সময়ের পরে উপস্থিতি অনুপস্থিতি হিসেবে গণ্য হবে ।
৫. বিতর্কের স্থান নিয়ে কোন আপত্তি করা চলবে না। সময় সংক্রান্ত কোনরূপ আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।


দ্বিতীয় রাউন্ড :
১ম রাউন্ডে বিজয়ী দলগুলোর মধ্যে নম্বরের গড় পার্থক্যের ভিত্তিতে (১ বনাম ৮, ২ বনাম ৭) ২য় রাউন্ডের বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে।

সেমি-ফাইনাল :
২য় রাউন্ডের বিজয়ী দলগুলোর মধ্যে নম্বরের গড় পার্থক্যের ভিত্তিতে
(১ বনাম ৪, ২ বনাম ৩) বিতর্কের সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।

ফাইনাল:
সেমিফাইনালে বিজয়ী দু’টো দলের মধ্যে ফাইনাল বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে।

১. প্রত্যেক বিতার্কিক ৩ মিনিট করে সময় পাবেন।২:৫০ মিনিটের মাথায় সতর্ক সংকেত এবং ৩ মিনিটের সময় চুড়ান্ত সংকেত দেয়া হবে। ৩ মিনিটের বাইরে বক্তৃতা দীর্ঘায়িত করলে তার পয়েন্ট কাটা যাবে।
২. যুক্তিখন্ডনের জন্য দলনেতারা আলাদা ২ মিনিট বলার সময় পাবেন।
৩.কোন অসঙ্গতিপূর্ণ ও ভুল তথ্য প্রদান বা অন্যকোন কারণে বিচারকগণ প্যানাল্টি প্রদান করতে পারবেন।


বিষয় ও পক্ষ নির্ধারণ :
১. বিষয় আয়োজকবৃন্দ কর্তৃক নির্বাচিত হবে এবং এ বিষয়ে কোন আপত্তি গ্রহণ করা হবে না।
২. বিষয় প্রদানের পর টসের মাধ্যমে বিজয়ী দল তাদের পছন্দমতো পক্ষ-বিপক্ষ নির্ধারণের সুযোগ পাবেন।
৩. একবার পক্ষ নির্ধারণের পর তা পরিবর্তনের আর কোন সুযোগ থাকবে না।

বিচারকার্য :
১. আয়োজকবৃন্দ কর্তৃক মনোনীত বিচারক প্যানেল বিচারকার্য সম্পন্ন করবেন।
২. কোন বিচারকের বিপক্ষে কোন দল বা প্রতিষ্ঠানের কোনরূপ অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না। এক্ষেত্রে আয়োজকবৃন্দের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ফলাফল:
১. প্রথম রাউন্ড থেকেই সকল বিতর্কের ফলাফল ব্যালটে দেয়া হবে। এ বিষয়ে কোন আপত্তি গ্রহণ করা হবে না।
২. ফলাফলের ক্ষেত্রে বিচারকমণ্ডলীর রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। এই রায়ের বিপক্ষে কোন অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না। তবে কোন দল প্রয়োজন মনে করলে লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারকদের রায় সম্বলিত সীট দেখতে পারবেন।

অভিযোগ :
কোন ক্ষেত্রে উপরোক্ত নিয়মাবলীর ব্যতিক্রম ঘটলে রিপোর্টিং ডেস্কে লিখিত অভিযোগ পেশ করা যাবে।আয়োজক কর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে খতিয়ে দেখবেন এবং মতামত ও সিদ্ধান্ত প্রকাশ করবেন।


বি:দ্র: প্রতিযোগিতার সকল বিষয়ে আয়োজকদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।


ফলাফল:
১. প্রথম রাউন্ড থেকেই সকল বিতর্কের ফলাফল ব্যালটে দেয়া হবে। এ বিষয়ে কোন আপত্তি গ্রহণ করা হবে না।
২. ফলাফলের ক্ষেত্রে বিচারকমণ্ডলীর রায় চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। এই রায়ের বিপক্ষে কোন অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না। তবে কোন দল প্রয়োজন মনে করলে লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারকদের রায় সম্বলিত সীট দেখতে পারবেন।

অভিযোগ :
কোন ক্ষেত্রে উপরোক্ত নিয়মাবলীর ব্যতিক্রম ঘটলে রিপোর্টিং ডেস্কে লিখিত অভিযোগ পেশ করা যাবে।আয়োজক কর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে খতিয়ে দেখবেন এবং মতামত ও সিদ্ধান্ত প্রকাশ করবেন।


বি:দ্র: প্রতিযোগিতার সকল বিষয়ে আয়োজকদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১২

বিতর্কের বিষয় ক্ষুধা

আগামী দিনের সংকট  ক্ষুধার নয় পরিবেশের।
আমাগীদিনেই  ক্ষুধাই জুদ্ধের কারণ হবে।
আফ্রিকার সবচেয়ে বড় সমস্যা ক্ষুধা নয় গৃহ যুদ্ধ।
খাদ্য সহায়তা ক্ষুধার্থ মানুষ তৈরি করে।
জন সংখ্যা বৃদ্ধি কোন ভাবেই ক্ষুধার মুল হতে পারে না ।
সকল ক্ষুধার মুলে খাদ্য সংকট নয় দায়ি কুটনৈতিক সংকট

বিতর্কের বিষয় ক্ষমতা

ক্ষমতায় স্বৈরাচার সৃষ্টি অনিবার্য। 
ক্ষমতার স্বাদ ক্ষীয়মান।
বিদ্যমান কাঠামোতে দরিদ্যের ক্ষমতায়ন অসম্ভব ।
দেশপ্রেম নয় , ক্ষমতার মোহই সকল সাম্রিক শাশনের উৎস উদ্দীপনা।
ক্ষমতার অপ্যব্যবহার না করে ক্ষমতা সৃষ্টি সম্ভব নয়

রবিবার, ২০ মে, ২০১২

বিতর্কের বিষয় গনতন্ত্র

গনতন্ত্রে গণ আছে তন্ত্র নেই
৩য় বিশ্বে গনতন্ত্র মুর্খের শাসন ।
পশ্চিমা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় প্রতারনা গনতন্ত্র।
দরিদ্য  বিশ্বে গনতন্ত্র আভিজাত্যের জন্মদাতা ।
৩য় বিশ্বে গনতন্ত্র মানে সামরিক বাহিনীর কনসেশন।
অর্থনৈতিক সু স্বাধীনতা ব্যতীত গনতন্ত্র অর্থহীন ।

শনিবার, ১৯ মে, ২০১২

বাংলাদেশি নারীর প্রথম এভারেস্ট জয়

বাংলাদেশের নিশাত মজুমদার বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত-শৃঙ্গ এভারেস্টে পৌঁছেছেন। তিনিই দেশের প্রথম নারী, যিনি এভারেস্ট জয় করলেন।


বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, ক্লাবের দুই সদস্য নিশাত মজুমদার ও এম এ মুহিত আজ সকাল সাড়ে নয়টায় মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। 


ছোটবেলা থেকে অ্যাডভেঞ্চার-প্রিয় নিশাত। ঢাকা সিটি কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক পাস করেছেন তিনি। একবার হঠাত্ বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের স্বেচ্ছাসেবক হয়ে কিছুদিন কাজ করেছেন। সেখান থেকেই ইনাম আল হকের সঙ্গে পরিচয়। তারপর বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবে (বিএমটিসি) যোগদান।
হিমালয় পর্বতকে জয় করতে হবে—এই উপলব্ধি থেকে বিএমটিসি হিমালয়ে অভিযানের জন্য প্রথম মহিলা দল পাঠায়। সেটি ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরের কথা। সেই দল প্রথম এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে পৌঁছায়। পাঁচজনের সেই দলের কনিষ্ঠতম সদস্য ছিলেন নিশাত মজুমদার। এরপর দেশের প্রথম নারী পর্বতারোহী সাদিয়া সুলতানার নেতৃত্বে ২০০৬ সালের নারী দিবসে কেওক্রাডাং ট্রেকিংয়ে অংশ নেন নিশাত।
২০০৮ সালের ৪ জুন নেপালে হিমালয় পর্বতমালার অন্নপূর্ণা হিমালে সিঙ্গাচুলি পর্বতে ওঠেন নিশাত। যার উচ্চতা ২১ হাজার ৩২৮ ফুট (ছয় হাজার ৫০১ মিটার)। ওই অভিযানে সিঙ্গাচুলি অভিযানের পুরো দলের নেতৃত্ব দেন নিশাত মজুমদার। 

তাকে অনেক অভিন্দদন

শুক্রবার, ১৮ মে, ২০১২

বিতর্কের বিষয় কোচিং

কোচিং সেন্টারের প্রসার সিক্ষাকে সংকুচিত করেছে ।
বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতায় কোচিং সেন্টার ব্যবসা প্রসারিত হয়েছে।
শিক্ষার বানিজ্যিকায়ন রধ করতে এই মুহুর্তে কোচিং সেন্টার বন্ধ করে দেয়া উচিত নয়।
নুরুল ইসলাম নাহিদ কোচিং বন্ধে ব্যর্থ।
কোচিং সেন্টারগুলো শয়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভুমিকা পালণ করছে।
কোচিং সেন্টার বন্ধ করলে মেধা তালিকায় শহরের মান কমে যাবে।
কোচিং এর শিক্ষা , শিক্ষা নয় বানিজ্য ।
কোচিং সেন্টার লেখাপড়ার মান কমাচ্ছে।
কোচিং সেন্টার গুলোতে বিনিয়োগ লাভ জনক।
কোচিং সেন্টার এবং সনদ মুখী শিক্ষা একই।
কোচিং সেন্টার প্রমান করে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল।
শিক্ষকদের বেতন বাড়ালেই কোচিং সেন্টার থেকে ছাত্র ছাত্রীরা মুক্তি পাবে ।
বানিজ্যিক স্কুল কলেজ গুলো নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আসলে কোচিং সেন্টার। 
কোচিং সেন্টার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা নয় , মন্ত্রনালয়ের দুর্বলতা । 


বিতর্কের বিষয় কালোটাকা

কালোটাকা সাদা করাতে এর গ্রহন যোগত্যা সৃষ্টি হয়।
মুক্তবাজারের স্মপ্রসারনে কালোটাকা সংকুচিত হবে।
শেয়ার বাজারে কালোটাকা সাদা করতে দেওয়া গ্রন যোগ্য নয় ।
আমলারাই কালোটাকার পোষক
সরকার কালোটাকা নিয়ন্ত্রন করতে পারলে বাজেট ঘাটতি হত না ।
কালোটাকাই আমাদের সবচেয়ে বর সমস্যা।

বিতর্কের বিষয় ঐতিহ্য

আমাদের ইতিহাস বিকৃত তাই সুনির্দিস্ট কোণ ঐতিহ্য  নেই । 
সঠিক ঐতিহ্য  চেতনার অভাবেই আমাদের জাতীয়তাবাদ বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
আমাদের মধ্যবিত্ত শ্রেণিই প্রকৃত ঐতিহ্য  লালন করছে।
আমাদের ঐতিহ্য বিশ্ব কেন্দ্রিক ।
আমাদের ঐতিহ্যচিন্তার থেকে ভবিষৎ চিন্তা বেশি প্রয়োজন