রবিবার, ১৩ মে, ২০১২

বিশ্বায়ন

বিশ্বায়ন (globalization) পারষ্পরিক ক্রিয়া এবং আন্তঃসংযোগ সৃষ্টিকারী এমন একটি পদ্ধতি যা বিভিন্ন জাতির সরকার, প্রতিষ্ঠান এবং জনগণের মধ্যে সমন্বয় ও মিথস্ক্রিয়ার সূচনা করে। এই পদ্ধতির চালিকাশক্তি হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ, আর এর প্রধান সহায়ক শক্তি হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি। পরিবেশ, সংস্কৃতি, রাজনৈতিক পদ্ধতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রগতি এবং মানবিক ও সামাজিক অগ্রগতি; সকল কিছুর উপরই এর সুস্পষ্ট প্রভাব বিদ্যমান। বিশ্বায়ন বিষয়টি নিয়ে আক্ষরিক অর্থে গবেষণা নতুন করে শুরু হলেও এই ব্যাপরটি বেশ প্রাচীনই বলতে হবে। বহু প্রাচীনকাল থেকেই মানুষকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। যদিও তখন কোন সাধারণ নীতিমালা ছিল না। হাজার বছর পূর্বে মধ্যযুগে সিল্ক রোড ধরে ইউরোপের সাথে মধ্য এশিয়া হয়ে চীনের বাণিজ্য চলতো।


এক কথায় বলতে বিশ্বায়ন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার সাহায্যে রাষ্ট্রকেন্দ্রিক সংস্থাসমূহ বিশ্ব জুড়ে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক গড়ে তোলে.
এখন বিশ্বায়ন এর মডেলটি কেমন হতে পারে ?  এইযে আমরা ব্লগ লিখছি বা পরছি এগুলোকে আমরা তার মডেল হিসেবে আনতে পারি । google সারা বিশ্বের মানুষ জানে । তা ব্যবহার করে । এতে সারা বিশ্বের মানুশের মধ্যে একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এখন একটা দেশ যদি বাংলাদেশে  বিনিয়োগ করে তাহলে আমাদের সাথে তাদের অর্থনীতির একটি সম্পর্ক গড়ে উঠে। আবার অলিম্পিক গেইমস হবে সামনে তখন সারা বিস্বের মানুষ এক কাতারে চলে আসবে। অনেক দেশের মাঝে নতুন সম্পর্ক হবে । তারপর ধরি linkin park  যেটি বিস্বের অনেক জনপ্রিয় ব্যান্ড। আর জনপ্রিয়তার পিছনের কারন হচ্ছে এই বিশ্বায়ন । 


তারমানে খুব সহজ করে বললে বিশ্বায়ন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আমরা বিশ্বের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠতে দেখি। 


এখন কোন বিষয় গুলোতে তা গড়ে উঠে ।অর্থনীতি, সামাজিক ব্যবস্থা, শিক্ষা , সংস্কৃতি সহ অনেক কিছু তে। এটি হতে মাঝে নিয়ামক হয়ে দাড়ায় তথ্য প্রযুক্তি। যার কাছে প্রযুক্তি ভালো সে সহজেই অন্য দেশের থেকে এগিয়ে থাকবে এবং পিছিয়ে পড়া দেশটি তাদের সাথে থাকতে চাবে নিজেদের উন্নতির জন্য । তখন দেখা যায় উন্নত দেশটি সহয়তা করতে এগিয়ে আসে এবং নানা নিজেদের অনেক কিছু সেই দেশে প্রবেশ করিয়ে দেয়। ঋণ দেয় , নিজেরা তাদের প্রকল্পে অর্থায়ন করে । এভাবেই বেড়ে উঠে বিশ্বায়নের মডেল।