বৃহস্পতিবার, ১৭ মে, ২০১২

বিতর্কের বিষয় এশিয়া

এশিয়া নয় , ইউরোপ ।
পুর্ব এশিয়ার প্রবিদ্ধি বিস্বকে নেতিত্ব দিবে।
আফ্রিকার চেয়ে এশিয়া অধিক অন্ধকারাছান্ন।
ভাববাদ এশিয়ার পিছিয়ে থাকার মুল কারন।
এসিয়াই পারে পৃথিবীকে বদলে দিতে।
প্রাক ব্রিটিশ ভারতের উৎপাদনকে সামন্তবাদ না বলে এশিয়াটিক উৎপাদন পদ্ধতি বলা উচিৎ 

বিতর্কের বিষয় এনজিও

এনজিও গুলো আমাদের নির্ভরশীল করে তুলছে 
এনজিও কর্মকান্দে সরকারি নীতিমালা থাকা জরুরী।
সমাজত্রান্তিক চেতনা বিকাশে এনজিও বাধা । 
গ্রামীন বাংলাদেশের এনজিও ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব না

বিতর্কের বিষয় একতা

আমাদের সততার চেয়ে রাজনৈতিক একতা বেশি জরুরী ।
অর্থনৈতিক বৈষম্যই আমাদের একতা সৃষ্টির বাধা ।
আমাদের নীতির চেয়ে দুর্নিতীতে একতা বেশি।
আজ একতার চেয়ে সমতা অধিক প্রয়োজন ।
জন বিছিন্নতা নয় , একতার অভাবই বাম দল গুলোর মুল ব্যর্থতা।

৯ম আইডিসি জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা

আইডিয়াল ডিবেটিং ক্লাব বাংলাদেশের স্কুল বিতর্কের অন্যতম সেরা একটি বিতর্ক ক্লাব । তাদের পথ চলায় আমরা অনেক ক্লাসিক বিতার্কিক্কে উঠে আসতে দেখেছি। তাদের আয়োজনের খবর

সময়ঃ ২৯ মে - ০২ জুন

স্থানঃ আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

যে সব বিভাগে প্রতিযোগিতাঃ
                             শিশু বিতর্ক
                             স্কুল বিতর্ক
                             কলেজ বিতর্ক
প্রাক নিবন্ধন প্রক্রিয়াঃ প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানকে  তাদের দলের নাম , দলের কোন সদস্যের যোগাযোগ নম্বর জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে ক্লাবটি থেকে । এর সময় সীমা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। 

নিবন্ধন বিষয়ে যোগাযোগ করতে পারেন

কাজিম রেজা চৌধুরীর সাথে , (  ০১১৩৫৪০৮৭০১)

আরো জানতে fb event এ যোগাযোগ করতে পারেন

বুধবার, ১৬ মে, ২০১২

জেডিসি বিতর্ক উৎসব ২০১২

বাংলাদেশের স্কুলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরোতন বিতর্ক ক্লাব জেডিসি । প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় জেডিসি আমাদের সামনে নিয়ে এলো তাদের পরবর্তী আয়োজন ।
সময়ঃ ২৮ জুন থেকে ৮ জুলাই
যে সব বিভাগে থাকছেঃ
 ১) বাংলা স্কুল বিতর্কঃ সংসদীয় নিয়মে হবে ।প্রতেক দুটি দলের জন্য একজন করে বিচারক আনা যাবে ।
 ২) বাংলা আন্তক্লাব বিতর্ক ঃ কলেজ এবং বিস্ববিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহন করতে পারবে ।

  ৩) inter school debate competition Schools + Colleges, as in SSC/HSC/O Level/A level/
In short, teams from up to the 12th standard.
Format: WSDC ( 8 minutes speech, 4 minutes reply)
Team Cap : will be announced shortly
Adjudicators per team : the n-1 rule( refer to Bangla event)
Total Team Cap : 48
Breaking Teams : 16
Adjudication Core : To be announced shortly.

যোগাযোগঃ ০১৭৪৭৪২৫৪৩২রাইয়য়ান
মেইলঃjosephite.mashraf@gmail.com.

আরো জানতে fb group

তথ্য জানিয়েছে আলি মাশরাফ , সহ সভাপতি , জেডিসি

বারোয়ারী বিতর্ক

বারোয়ারী বিতর্ক বিতর্ক ফরম্যাট গুলোর মধ্যে অন্য রকম একটি ফরম্যাট ।
আমরা মুলত দেখতে পাই যে বিতর্ক গুলো দলগত  হয় এবং দলগত ভাবেই ফলাফল প্রকাশ করা হয় । এখানে ব্যক্তি বিতার্কিকের থেকে দলের বিতার্কিক ব্যাপারটি মুলত আলোচনায় আসে। বারোয়ারী বিতর্ক এর থেকে বাইরে চলে আসে । যেখানে একটি বিষয়ের উপর বিভিন্ন জন বিভিন্ন মতবাদের কথা বলে। এই বিতর্কে আমরা public speaking কিনবা উপস্থিত বক্তৃতার সাথে তুলনা করতে পারি। এই বিতর্কের বিষয় হয় অনেকটা মুক্ত ধরনের । যেমন হতে পারে " আজ হতে শত বছর পর..." এখানে বিতার্কিকরা বিভিন্ন দিক থেকে বক্তিতা নিয়ে আসবে, এই বিতর্কে শিল্পের প্রয়োগ দেখা যায় । তার কারন এই বিতর্ক মুক্ত ভাবে চিন্তা করার ও তা বলার নিশ্চয়তা দেই । একটি বিষয়ের উপর ১০ জন কিনবা ১৪ জন নিজেদের মতামত নিয়ে আসছে তাও ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে ...।এখানেই বারোয়ারী বিতর্কের  প্রার্থক্য । এই বিতর্কে আবেগের ব্যবহার করাটাও লক্ষ করা যায় । আসে হাসি , উৎসবের গল্প । আত্ম সমালেচনা করাও যায় এখানে । মোট কথা বারোয়ারী বিতর্ক কোন বিতার্কিকের মন খুলে ভাবার জায়গা এবং সেটিকে যুক্তি ও শিল্পের মাধ্যমে প্রকাশ করার সুযোগ।


নিম্নে কিছু বারোয়ারী বিতর্কের বিষয় দেওয়া হল


তোরা যে যা বলিস ভাই ...
মুক্তির পথে...
আমরা করব  জয়...
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া ...
আমারও ইচ্ছা করে ...

রবিবার, ১৩ মে, ২০১২

স্নায়ুযুদ্ধ

স্নায়ুযুদ্ধ বা শীতলযুদ্ধ ( Cold War; ) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রসমূহ এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্রসমূহের মধ্যকার টানাপোড়েনের নাম। ১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০'র দশকের শেষ পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিল। প্রায় পাঁচ দশকব্যাপী সময়কালে এই দুই শক্তিশালী দেশের মধ্যকার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও রাজনৈতিক মতানৈক্য আন্তর্জাতিক রাজনীতির চেহারা নিয়ন্ত্রণ করত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশসমূহ ছিল গণতন্ত্র ও পুঁজিবাদের স্বপক্ষে; আর সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্র দেশসমূহ ছিল সাম্যবাদী বা সমাজতন্ত্রপন্থী। স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রধান মিত্র ছিল যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, জাপান ও কানাডা। আর সোভিয়েত ইউনিয়নের পক্ষে ছিল পূর্ব ইউরোপের অনেক রাষ্ট্র, যেমন বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, পূর্ব জার্মানি ও রোমানিয়া। স্নায়ুযুদ্ধের কিছুকাল যাবৎ কিউবা এবং চীন সোভিয়েতদের সমর্থন দেয়। যেসমস্ত দেশ দুই পক্ষের কাউকেই সরকারিভাবে সমর্থন করত না, তাদেরকে নিরপেক্ষ দেশ বলা হত। তৃতীয় বিশ্বের নিরপেক্ষ দেশগুলি জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের অংশ ছিল। অবশেষে সোভিয়েত ইউনিয়নের নাটকীয় পরিবর্তন ও পতনের মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধের সমাপ্তি হয়।
এই বিশেষ ঐতিহাসিক ঘটনাকে ইংরেজিতে 'Cold War' কথাটি দিয়ে সর্বপ্রথম সূচিত করেন মার্কিন সাংবাদিক ওয়াল্টার লিপমান, ১৯৪৭ সালে, তাঁর একই শিরোনামের বইতে।


বিশ্বায়ন

বিশ্বায়ন (globalization) পারষ্পরিক ক্রিয়া এবং আন্তঃসংযোগ সৃষ্টিকারী এমন একটি পদ্ধতি যা বিভিন্ন জাতির সরকার, প্রতিষ্ঠান এবং জনগণের মধ্যে সমন্বয় ও মিথস্ক্রিয়ার সূচনা করে। এই পদ্ধতির চালিকাশক্তি হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ, আর এর প্রধান সহায়ক শক্তি হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি। পরিবেশ, সংস্কৃতি, রাজনৈতিক পদ্ধতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রগতি এবং মানবিক ও সামাজিক অগ্রগতি; সকল কিছুর উপরই এর সুস্পষ্ট প্রভাব বিদ্যমান। বিশ্বায়ন বিষয়টি নিয়ে আক্ষরিক অর্থে গবেষণা নতুন করে শুরু হলেও এই ব্যাপরটি বেশ প্রাচীনই বলতে হবে। বহু প্রাচীনকাল থেকেই মানুষকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। যদিও তখন কোন সাধারণ নীতিমালা ছিল না। হাজার বছর পূর্বে মধ্যযুগে সিল্ক রোড ধরে ইউরোপের সাথে মধ্য এশিয়া হয়ে চীনের বাণিজ্য চলতো।


এক কথায় বলতে বিশ্বায়ন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার সাহায্যে রাষ্ট্রকেন্দ্রিক সংস্থাসমূহ বিশ্ব জুড়ে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক গড়ে তোলে.
এখন বিশ্বায়ন এর মডেলটি কেমন হতে পারে ?  এইযে আমরা ব্লগ লিখছি বা পরছি এগুলোকে আমরা তার মডেল হিসেবে আনতে পারি । google সারা বিশ্বের মানুষ জানে । তা ব্যবহার করে । এতে সারা বিশ্বের মানুশের মধ্যে একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এখন একটা দেশ যদি বাংলাদেশে  বিনিয়োগ করে তাহলে আমাদের সাথে তাদের অর্থনীতির একটি সম্পর্ক গড়ে উঠে। আবার অলিম্পিক গেইমস হবে সামনে তখন সারা বিস্বের মানুষ এক কাতারে চলে আসবে। অনেক দেশের মাঝে নতুন সম্পর্ক হবে । তারপর ধরি linkin park  যেটি বিস্বের অনেক জনপ্রিয় ব্যান্ড। আর জনপ্রিয়তার পিছনের কারন হচ্ছে এই বিশ্বায়ন । 


তারমানে খুব সহজ করে বললে বিশ্বায়ন হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আমরা বিশ্বের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠতে দেখি। 


এখন কোন বিষয় গুলোতে তা গড়ে উঠে ।অর্থনীতি, সামাজিক ব্যবস্থা, শিক্ষা , সংস্কৃতি সহ অনেক কিছু তে। এটি হতে মাঝে নিয়ামক হয়ে দাড়ায় তথ্য প্রযুক্তি। যার কাছে প্রযুক্তি ভালো সে সহজেই অন্য দেশের থেকে এগিয়ে থাকবে এবং পিছিয়ে পড়া দেশটি তাদের সাথে থাকতে চাবে নিজেদের উন্নতির জন্য । তখন দেখা যায় উন্নত দেশটি সহয়তা করতে এগিয়ে আসে এবং নানা নিজেদের অনেক কিছু সেই দেশে প্রবেশ করিয়ে দেয়। ঋণ দেয় , নিজেরা তাদের প্রকল্পে অর্থায়ন করে । এভাবেই বেড়ে উঠে বিশ্বায়নের মডেল।